অন্যান্য

হ্যাকিং কী? হ্যাকার কারা? হ্যাকিং এবং হ্যাকার সম্পর্কে বিস্তারিত।

হ্যাকিং(Hacking) কি❓

বৈধ অনুমতি ছাড়া কারো ফাইল বা তথ্য চুরি করতে বা তা পরিবর্তন করতে একটি নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে হ্যাকিং (Hacking)।

এই হ্যাকিং কয়েক প্রকারের হতে পারে।চলুন কি কি তা জেনে নেয়া যাক :-

➡️ Eathical hacking.

➡️ Website / Server hacking.

➡️ Email hacking.

➡️ Password hacking.

➡️ Network attack.

➡️ Computer hacking.

 

এখন আমরা হ্যাকিং সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা নিবো:-

? Ethical Hacking হলো কোনো কোম্পানির System Security কে অধিকতর Secure করতে যে হ্যাকিং করা হয় তাকে Ethical Hacking বলা হয়। এক্ষেত্রে  হ্যাকার(Hacker) রা তাদের হ্যাকিং(Hacking) এর জ্ঞান ও দক্ষতাকে ইতিবাচক কাজে ব্যবহার করে থাকেন। Ethical Hacker রা System Security Expert হিসেবে কাজ করে থাকেন।

? Website / Server hacking এ এই ধরনের হ্যাকিং এ হ্যাকাররা একটি Server/web server এর উপর ক্ষতি করার চেষ্টা করে থাকে এবং এগুলোর অন্তর্গত  ফাইল বা ডাটাবেইজগুলো নষ্ট করার চেষ্টা করে অথবা নিজের নিয়ন্ত্রণে আনারও চেষ্টা করতে পারে।

? Email hacking টা হচ্ছে হ্যাকাররা আপনার ইমেইল কে অবৈধভাবে ব্যবহার করবে এবং এখানে থাকা তথ্যগুলো নিতে পারে। আবার এই ইমেইলটাই অবৈধকাজে ব্যবহার করতে পারে।মূলত এটাই হচ্ছে ইমেইল হ্যাকিং।

? Password hacking এই ধরনের কাজে হ্যাকাররা password গুলুকে recovery করে থাকে। অন্যভাবে বলতে গেলে Computer  এ হ্যাকাররা যখন কোন ডাটা স্থাপন বা প্রেরণ করেন এবং সেগুলো ব্যবহার করে Password গুলোকে Recover করে,তখন তাকে পাসওয়ার্ড হ্যাকিং বলা যেতে পারে।

? Network attack এক্ষেত্রে কোন একটা  Private Network কে হ্যাক করে তথ্য ও ডাটাগুলও সংগ্রহ করার চেষ্টা করে এবং এর জন্য হ্যাকাররা কিছু টুল ব্যবহার করে থাকেন। একে বলে Network attack.

? Computer hacking একটি কম্পিউটারের ID এবং Password এর তথ্য হ্যাকাররা সংগ্রহ করে কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। আর এখনকার সময়ে Computer hacking একটি ভয়ংকর বিষয়।

হ্যাকিং কী তা তো বুঝলাম এবার হ্যাকিং যারা করে অর্থাৎ হ্যাকারদের সম্পর্কে জেনে নিই।

হ্যাকার কাকে বলে❓

যেসকল ব্যাক্তি বৈধ অনুমতি ব্যতীত কারো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফাইল ও তথ্যের পরিবর্তন/ ক্ষতিসাধন করে, তাদের হ্যাকার(Hacker) বলে। হ্যাকাররা সাধারণত কম্পিউটারের নিরাপত্তাজনিত ভুলত্রুটি খুঁজে বের করার কাজে বিশেষভাবে দক্ষ হয়ে থাকে।

হ্যাকার (Hacker) হচ্ছে প্রধানত তিন প্রকার।

⚪ হোয়াইট হ্যাট (white hat hacker)
⚫ ব্ল্যাক হ্যাট ( black hat hacker)
? গ্রে হ্যাট (gray hat hacker)

এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের হ্যাকার রয়েছে যেমন :-

➡️ Red hat hacker.

➡️ Blue hat hacker.

➡️ Elite hackers.

➡️ Script kiddie.

➡️ Neophyte/ Green hat hacker.

➡️ Hacktivist.

এবার এই হ্যাকারদের সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক।

White hate hacker যারা হ্যাকিং এর মাধ্যমে ভালো কাজ করে তাদেরকে বলা হয় হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার। এরা সবসময় ভালো হ্যাকার হিসেবেই বিবেচিত হয়ে থাকে।

Black hat hacker এ ধরনের হ্যাকারদের উদ্দেশ্য থাকে সবসময়ই খারাপ কাজ করা। অর্থাৎ অন্যের ক্ষতি করা।এরা সবসময়ই বিপদজনক।

Grey hat hacker হলো তারাই, যারা কি-না ভালো বা খারাপ উভয়ই করতে পারে।অর্থাৎ আপনার উপকারও করতে পারে আবার ক্ষতিও।

Red hat hacker হচ্ছে মুলত যাদের উদ্দেশ্য Black hat hacker দের টার্গেট করা এবং তাদের আক্রমণ করা। বলতে পারেন এরা Black hat hacker জমই বলা যেতে পারে।

Blue hat hacker রা কারও অধীনে নয়।মানে এরা নিজের জন্যই কাজ করে। কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে নয়।তবে, কোন কোম্পানি চাইলে এদের দিয়ে কাজ করাতে পারেন।

Elite hacker হলো এমন হ্যাকার বলতে পারেন হ্যাকার জগতের লিডার। অর্থাৎ এরা হচ্ছে সবচেয়ে এক্সপার্ট। এদের দক্ষতা অন্যান্য সকল হ্যাকারদের থেকে বেশি থাকে।

Script kiddie এই হ্যাকারদের হ্যাকিং সম্পর্কে ধারণা খুবই কম। এরা অন্যেদের software বা others কিছু দিয়ে হ্যাকিং করার চেষ্টা করে। এরা বিশেষ ধরনের কোন Hacktivist তে পারে না।

Neophyte/Green hat hacker এরা হচ্ছে হ্যাকিং জগতে নতুন। এরা সাধারণত হ্যাকিং শিখতে চায় এবং শিখতে খুবই আগ্রহী।
এদের হ্যাকিং সম্পর্কে তেমন কোন দক্ষতা থাকেনা।

Hacktivist মানে এমন কোনো এক হ্যাকার বা হ্যাকিং কমিউনিটি যারা তাদের হ্যাকিং এর মাধ্যমে কোনো সোশ্যাল রিভলিউসন আনতে চেষ্টা করেন তাদেরকেই Hacktivist হ্যাকার বলা হয়ে থাকে।

Facebook Comments

Related Articles

Back to top button